Academia
Books by Language
Filter by price
Books by language
----------------------------
Filter by price
Curricula Books
- ● AS/A Level - Cambridge
- ● AS/A Level - Edexcel
- ● Grade 1
- ● Grade 2
- ● Grade 3
- ● Grade 4
- ● Grade 5
- ● Grade 6
- ● Grade 7
- ● Grade 8
- ● KG 2
- ● Play, Nursery & KG 1
- ● O Level - Cambridge
- ● O Level - Edexcel
- ● প্রাক-প্রাথমিক
- ● প্রথম শ্রেণি
- ● দ্বিতীয় শ্রেণি
- ● তৃতীয় শ্রেণি
- ● চতুর্থ শ্রেণি
- ● পঞ্চম শ্রেণি
- ● ষষ্ঠ শ্রেণি
- ● সপ্তম শ্রেণি
- ● অষ্টম শ্রেণি
- ● নবম-দশম
- ● একাদশ-দ্বাদশ
Exam Books
Faculty & Department Books
- ● Accounting
- ● Anthropology
- ● Apparel Mnf & Tech.
- ● BBA
- ● Bengali
- ● Botany
- ● Chemistry
- ● Computer Science
- ● Economics
- ● Electronics & Communication
- ● Engineering and Technology
- ● English
- ● Fashion Design & Tech.
- ● Finance & Banking
- ● Geography & Environment
- ● History
- ● Home Economics
- ● Hospitality Management
- ● Information Sc. & Library Mgt.
- ● Islamic History & Culture
- ● Islamic Studies
- ● Knitwear Mnf. & Tech.
- ● Law
- ● Management
- ● Marketing
- ● Mathematics
- ● Physics
- ● Political science
- ● Psychology
- ● Philosophy
- ● Public Administration
- ● Social Work
- ● Sociology
- ● Statistics
- ● Zoology
General Categories
Ages
দর্শনের সমস্যাবলি , কোড-১১১৭০১,অনার্স ১ম বর্ষ,দিকদর্শন প্রকাশনী লিঃ , প্রফেসর রুকুন উদ্দিন আহমেদ
সহজ ভাষায় পাইথন ৩
প্রোগ্রামিং একটি শৈল্পিক ব্যাপার, বিনোদনের অপর নাম। এর অমৃতসুধা পান করতে হলে হূদয়ে থাকা চাই আগ্রহ ও তীব্র ভাবাবেগ। কিন্তু বিভীষিকাময় একাডেমিক জীবন আমাদের দেশে প্রোগ্রামিংকে চিরতার মতো তিক্ত করে তুলেছে। অপরদিকে, হাতুড়ে ডাক্তারদের প্যারাসিটামল-তত্ত্ব প্রোগ্রামিংকে করে তুলেছে গোলকধাঁধার মতো। আর সিনট্যাক্সের গ্যাঁড়াকল? সে যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা।
প্রোগ্রামিং শেখা হওয়া উচিত সহজ, সরল ও আনন্দদায়ক। একটা কাজের সঙ্গে যখন আনন্দ যোগ হয়, তখন সেই কাজটা আমাদের মস্তিষ্ক অনেক দ্রুত গ্রহণ করতে পারে। এমনিতে পাইথন খুবই সহজবোধ্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। কিন্তু শেখার মাধ্যমটাও তো মজার হওয়া চাই। এ দিকটাতেই সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে এই বইয়ে।
এটি কোনো পাঠ্য বই নয়, এটি হচ্ছে পাইথন নিয়ে পাইথনের জন্য লেখা এক রহস্যোপন্যাস। এর পরতে পরতে ছড়িয়ে রয়েছে প্রোগ্রামিংয়ের অপার সৌন্দর্য আর নিগূঢ় রহস্যের হাতছানি। এবার শুধু সমাধান করতে হবে সেই রহস্যের।
গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং
প্রোগ্রামিং প্রমাণ করে ব্যক্তিটির বিশ্লেষণী ক্ষমতা আছে, ধৈর্য আছে, একাগ্রতা আছে, ইচ্ছা আছে; সর্বোপরি সমস্যা সমাধান করার সক্ষমতা আছে। অতএব প্রোগ্রামারের লেখা প্রোগ্রামটিই তার সার্টিফিকেট। মাইক্রোসফট, গুগল কিংবা ফেসবুকের মতো বড় কোম্পানির জন্য কাজ করেন এ রকম অনেকেই আছেন, যাদের কখনোই কোনো সার্টিফিকেট ছিল না; অসংখ্য ছোট ছোট কোম্পানির কথা তো বাদই দিলাম। অতএব কারও কাছ থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার চেয়ে, নিজের কাছ থেকেই নিজের সার্টিফিকেট অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ। আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় কোনো সার্টিফিকেট নেই।’
‘একবার এক মা তার প্রোগ্রামার ছেলেকে দোকানে পাঠিয়েছে ডিম কিনে আনার জন্য। মা বলে দিয়েছেন, পুত্র, তুমি যখন বাইরে থাকবে, তখন বাসার জন্য ডিম কিনো। মায়ের সে প্রোগ্রামার ছেলে আর কোনো দিন বাসায় ফিরে আসেনি। কেন ফিরে আসেনি, সেটা বুঝতে হলে প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত লুপের ধারণা থাকা প্রয়োজন।
‘প্রোগ্রামিং চিন্তা করতে শেখায়, যৌক্তিক হতে শেখায়, কোন অবস্থায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে, তা নিয়ে ভাবতে শেখায়। প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে বড় আনন্দ সৃষ্টিশীলতার আনন্দ, নিজের কল্পনায় থাকা যৌক্তিক চিন্তাধারাকে মনের মতো করে অনবদ্য এক বাস্তবে রূপ দেওয়ার আনন্দ।
বাবুদের জন্য প্রোগ্রামিং
বাবুদের জন্য প্রোগ্রামিং বইটি বাবুদের প্রোগ্রামিং শেখার যাত্রাকে যেমন করবে সহজ ঠিক তেমনই করবে আনন্দময়।
বইটির ভেতরে দেওয়া মজার মজার সব প্রবলেম সলভ করে তারা প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু টপিকের (ভ্যারিয়েবল, কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট, লুপ, অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট) সাথে পরিচিত হবে।
বইটির ভেতরে দেওয়া সমস্যাগুলোর সমাধান তারা নিজে থেকে চিন্তা করে খোঁজার চেষ্টা করবে।
ফলে তাদের লজিক বিল্ডিং এবং প্রবলেম সলভিং স্কিলস ছোট থেকেই বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে। এতে করে তাদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা উদ্ভাবনী মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠবে।
পাইথন প্রোগ্রামিং 3.10
বর্তমান যুগটা তথ্যপ্রযুক্তির। ওয়েবসাইট, সার্চ ইঞ্জিন, সফটওয়্যার, ডেটা এনালাইসিস— এই শব্দগুলো এখন হয়ে গেছে আমাদের নিত্যদিনের জীবনের অংশ। এই সবই সম্ভব হচ্ছে প্রোগ্রামিংয়ের কারণে। আর প্রোগ্রামিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহৃত হয়। তেমনই এক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ পাইথন। ১৯৯১-এ প্রথম রিলিজ পাওয়া এই ল্যাংগুয়েজটি বর্তমান সময়ে খুব দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এর ব্যবহার। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, পাইথন বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। পাইথনে জ্ঞান রাখা মানুষের চাহিদাও তাই বাড়ছে দিনকে দিন।
পাইথন নিঃসন্দেহে অসাধারণ একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। যে কেউ পাইথন প্রোগ্রামিং শিখে সহজে ক্যারিয়ার গড়তে পারবে। কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং করার জন্যও পাইথন দারুণ একটা ল্যাঙ্গুয়েজ। এই বইটাতে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের মূল ধারণাগুলো খুব সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে যেন স্কুল-কলেজ বা ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগে। চেষ্টা করা হয়েছে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের একদম প্রাথমিক বিষয়গুলো থেকে শুরু করে কিছু প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে পাঠককে ধারণা দেওয়ার। বইটি পাঠককে পাইথন সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি প্রোগ্রামিংয়ের মূল বিষয়গুলো খুব সহজে জানতে ও বুঝতে সাহায্য করবে।
অ্যালগরিদম ডিজাইন
অ্যালগরিদমের মতো একটি বিষয়কে সংক্ষিপ্ত পরিসরে ব্যাখ্যা করা অত্যন্ত কঠিন। এ বইতে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তার সব কয়টার ওপরেই একেকটা পৃথক বই লেখা সম্ভব এবং লেখাও আছে এমনসব বই। এই বই থেকে যে কেউ শুধু সমস্যার সমাধান করা ও অ্যালগরিদম ডিজাইনের সম্পর্কে একটা ধারণা পাবেন।
যেকোনো বিষয়কে গাণিতিকভাবে চিন্তা করার সামর্থ্য অর্জন করার জন্য এবং গণিতের মৌলিক ধারণাগুলো— যেগুলো ছাড়া পুরো মহাবিশ্বই অচল— এই বইতে সে বিষয়গুলো খুবই সুন্দরভাবে প্রয়োগসহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
অল্প কথায় সি প্রোগ্রামিং
২০২৪-এ এসেও কেন সি? একজন ভালো প্রোগ্রামার কখনো এক ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে পড়ে থাকে না; বরং একাধিক ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যাপারে আইডিয়া থাকতে হয় তার। কেবল বেসিকই না, জানতে হয় খুঁটিনাটি অনেক কিছু। কেবল প্রায়োগিক দিকগুলোই না, জানা থাকতে হয় থিওরিটিক্যাল তথা তাত্ত্বিক দিকগুলোও। এই বইয়ে সংক্ষিপ্ত, সহজ ও সাবলীল ভাষায় সি প্রোগ্রামিংয়ের এই দুটি দিকই শেখানো হয়েছে। পাশাপাশি বইটিতে এমন কিছু নতুন বিষয়ও যুক্ত করা হয়েছে যেগুলো নবিশদের কেবল বেসিকেই সীমাবদ্ধ রাখবে না, পরবর্তী ধাপে যাওয়ার পথটাও দেখিয়ে দেবে।
সবার জন্য GO প্রোগ্রামিং
সবার জন্য GO প্রোগ্রামিং’ বইটি GO প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে আগ্রহী যে-কারো জন্য একটি আদর্শ স্টার্টিং কিট। হাতেকলমে উদাহরণের পাশাপাশি প্রতিটি টপিকের উপরে খুব ভালো ও মৌলিক ধারণা দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে GO প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মৌলিক বিষয়গুলো বুঝতে চায় তবে এই বইটি তার জন্য।
তাপস অধিকারী
সহ-প্রতিষ্ঠাতা, CreoWis Technologies
সহজ ভাষায় অ্যালগরিদম
এক কথায় বলতে হলে, একদম বিগিনারদের জন্য এক অসাধারণ খণ্ডাংশ এই বইটি। যাদের প্রোগ্রামিং নিয়ে ন্যূনতম জ্ঞান আছে, তারাও অনায়াসে এই বইয়ের আদি-অন্ত উদ্ধার করে ফেলতে পারবেন। নো ডাউট!
একটি সত্যি কথা কি জানেন? গুগোল-ফেসবুক যারা বানিয়েছেন, তারাও কিন্তু একটা সময় আমার-আপনার মতোই একজন জিরো লেভেলের প্রোগ্রামার ছিল। প্রোগ্রামিং জানার জন্য কম্পিউটারের খুঁটিনাটি সম্পর্কে যে খুব আহামরি কিছু জানা লাগে, এই কথাটিই ভুল। শুনে অবাক হবার কিছু নেই। ব্যাপারটা একদমই সত্যি। তবে আপনার থাকা চাই প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আর নিজেকে সময় দেওয়া। প্রোগ্রামিংয়ে ‘শুরু থেকে গুরু’ তখনই হতে পারবেন যখন আপনি প্রোগ্রামিংয়ের পেছনে ‘লেগে’ থাকবেন। এই ‘লেগে থাকা’-টাই আপনাকে গুগোল-ফেসবুক থেকেও আরো অনেক বেশি ওপরে নিয়ে যেতে সক্ষম।
তবে অ্যালগরিদমের কথা এলেই সবাই পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চান। এই বইটি লেখার প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল এই পালিয়ে বেড়ানো মানুষগুলোর মনে অ্যালগরিদমের ভালোবাসা পৌঁছিয়ে দেওয়া। বানিয়ে বলছি না; বইটি শুরু করুন— কিছুক্ষণ পর আপনি নিজেই নিজেকে বলবেন, ‘একটু সময় দিলেই আমি পারব!’
আরডুইনোতে হাতেখড়ি
বিশ্বব্যাপী আইওটি বা ইন্টারনেট অফ থিংস এখন একটি বড় ও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পিছনে আইওটির একটি বড় অবদান আছে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদেরও এগোনো উচিত। সেক্ষেত্রে শুরুটা করা প্রয়োজন একেবারে গোড়া থেকেই। আইওটি-র প্রথম পাঠ হওয়া উচিত আরডুইনো থেকেই। তাছাড়া, বিশ্বব্যাপী আলোচিত শব্দ রোবোটিক্স শেখার শুরুটাও হতে পারে এই আরডুইনো থেকেই।
এই বইটা প্রায় সবার জন্য। বিশেষভাবে লেখা হয়েছে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের কথা মাথায় রেখে। বইটি প্রথম প্রকাশের দিন বইমেলাতে মুনেম যখন আমাকে বলে, ‘আমি যখন আরডুইনো নিয়ে কাজ শুরু করি তখন আমার মনে হয়েছে, যদি স্কুলে থাকতে এটির কথা জানতে পারতাম তাহলে স্কুল-জীবনটা না জানি আরও কত সুন্দর হতো! তখন থেকেই ভেবেছি, স্কুলের ছেলে-মেয়েদের জন্য আরডুইনোর একটা বাংলা বই লিখে ফেলতে হবে।’
আমার মনে পড়ল, রুবাই সেভেন-এ থাকতেই আরডুইনো নিয়ে কাজ করেছে, সেটা সে ঢাকার ছেলে বলে। সারাদেশের হাজারো রুবাইদের জন্য বাংলা ভাষাতে যেমন বই দরকার তেমনি দরকার সেই বই তাদের কাছে পৌঁছানো।
শুয়ে শুয়ে পড়ার বই এটি নয়। এটি হাতে-কলমে পড়ার বই। প্রথম দিন থেকেই কিন্তু কাজে লেগে যেতে হবে। মুনেম, দিনা আর রুহুলের মতো আমারও মনে হয়, ‘স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে সকল বয়সী শিক্ষার্থীদের মাথায় প্রোগ্রামিং আর আরডুইনোর পোকা ঢুকিয়ে দিলে আমরা শীঘ্রই একটা দারুণ বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলতে পারব।’
— মুনির হাসান
প্রোগ্রামিংয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী
অনুজপ্রতিম ঝংকার মাহবুবের সাথে আমার পরিচয় বছর কয়েক আগে, শিক্ষক.কমে একটি কোর্স পড়ানোর সময়। অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, ওর এই কোর্সটা তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে সবার কাছে। কিন্তু কেন? ছাত্র হয়ে আমিও ঢুকে গেলাম ওর কোর্সে আর অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, যেকোনো কঠিন খটোমটো টেকনিক্যাল বিষয়কেও কতটা মজাদার করে পড়ানো সম্ভব!
ঝংকারের এবারের প্রজেক্ট হলো প্রোগ্রামিংকে সহজ-সরল ভাষায় বোঝানো আর সে এ বিষয়টা নিয়ে লিখছে, তাতে কম্পিউটারবিজ্ঞানী ও শিক্ষক হিসেবে আমি যারপরনাই আনন্দিত… প্রোগ্রামিংয়ের মতো দরকারি জিনিস আমরা যখন পড়েছিলাম, তখন অনেক সময় ভেবেছি আরেকটু যদি ইন্টারেস্টিং করে লেখা একটা বই পেতাম, কত মজাই না হতো প্রোগ্রামিং শেখার সেই সময়টা!
ঝংকারের প্রোগ্রামিংয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী বইটা পড়তে গিয়ে আমি সেই আনন্দটা পেয়েছি— গল্পের মাধ্যমে এমনভাবে বইটা লেখা, পড়ে মনে হয় চোখ বুজলেই যেন দেখতে পাব, পাঠকের সামনে দাঁড়িয়ে ঝংকার গভীর মমতায় শেখাচ্ছে প্রোগ্রামিং। ঝংকারের এ বইটি পড়তে গিয়ে পুরোটা সময় সেই প্রথম প্রোগ্রামিং শেখার সময়টার মতো আনন্দ পেয়েছি, টানটান উত্তেজনা, হাসি আর মজার মাঝে ঝংকার যেভাবে প্রোগ্রামিং শিখিয়ে দিচ্ছে এ বইয়ে, হয়তোবা বাংলায় সেভাবে আগে কেউ লেখেনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই বইটা বাংলাদেশের কিশোর, তরুণ বয়সীর কাছে প্রোগ্রামিংকে খটোমটো যান্ত্রিক কিছু নয়— আনন্দময় মজাদার একটা কাজ হিসেবে তুলে ধরবে আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরবে প্রোগ্রামিংয়ের বর্ণিল জগৎ।
ড. রাগিব হাসান
কম্পিউটারবিজ্ঞানী
সহযোগী অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামা অ্যাট বার্মিংহাম
৫৫টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান
মানুষ নিজের পরিশ্রম কমাতে সাহায্য নিচ্ছে মেশিনের আর মেশিন চলছে তার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে। দিন দিন যেভাবে মেশিনের পরিমাণ বাড়ছে সেভাবে প্রোগ্রামিংয়ে কাজ করার সুবিধাও বাড়ছে। কম্পেটিটিভ প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে আমরা যেমন একটা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি, তেমনিভাবে আমরা চেষ্টা করি সমস্যাটাকে সহজে কিন্তু নির্ভুলভাবে সমাধান করে ফেলার। তাই প্রোগ্রামিং জগতে বর্তমান পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে কম্পেটিটিভ প্রোগ্রামিং ছাড়া আর গতি নেই। তোমাদের কম্পেটিটিভ প্রোগ্রামিং জার্নিটাকে আরো সহজ করে তুলতে এবং তোমাদের ভালো ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে লেখকেরা অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম দিয়ে তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছে এই ছোট্ট একটি ব্যবস্থা। আশা করি, এটি তোমাদের পছন্দ হবে এবং এটি পড়ে তোমাদের অনেক সমস্যার সমাধানও হয়ে যাবে।
এড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ
অধ্যাপক
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বুয়েট
হাতেকলমে পাইথন ডিপ লার্নিং
গত ২০০ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যন্ত্রের ওপর মানুষের নির্ভরতা বেড়েছে অনেক, তবে মানুষের আকুলতা পড়ে আছে অন্য জায়গায়। মানুষ ‘ইন্টেলিজেন্ট’ মেশিন চায় তার পাশে- সহকর্মী হিসেবে। সমাজের অসংগতি কমাতে। এটা অবশ্যই একটা ফ্যান্টাসি, আর তাই এই ‘িচন্তা করতে পারা’ যন্ত্র এবং রোবট নিয়ে লেখা হয়েছে হাজারো গল্প এবং মুভি। বাস্তবে সেটা ঘটুক আর নাইবা ঘটুক, তবে লেখক মনে করেন এই পুরো জিনিসটাই একটা ‘পাওয়ারফুল’ আইডিয়া। গত পাঁচ দশকে ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেমের ‘হাইপ’ আর তার ‘অ্যাডভান্সমেন্ট’-এর ফারাক থাকাতে দুটো ‘এআই’ উইন্টার দমাতে পারেনি মানুষকে। তবে এবারের ঘটনা অন্য।
গত ১০ বছরে একদিকে যন্ত্রের প্রসেসিং স্পিড বেড়ে যাওয়া, অন্যদিকে মেমোরি এবং স্টোরেজের দাম পড়ে যাওয়ায় মানুষ অসাধারণ কিছু ‘প্রজ্ঞা’ পেয়েছে বিগ ডেটা থেকে। ‘ডেটা ড্রিভেন’ সরকারি কয়েকটা প্রতিষ্ঠানে যুক্ত থাকায়, লেখক ডেটা থেকে কার্যকরী ‘অ্যাকশনেবল ইনসাইট’ নেওয়ার জ্ঞান নিয়ে লিখেছেন আগের দুটো বই। ব্যবহারিক লেখা— হাতেকলমে ওয়ার্কবুক স্টাইলে, যাতে করতে করতে শিখে যান সবাই।
নিউরাল নেটওয়ার্ক, ডিপ লার্নিং ব্যাপারটা আমাদের জন্য নতুন হলেও ইন্টারনেট যুগের তথ্যের অবারিত ধারা আটকে রাখবে না এই প্রযুক্তি বাংলায় শিখতে। নতুন প্রযুক্তি শেখার ব্যাপারটা নিয়ে বর্তমান প্রজন্মের অসম্ভব ‘উদগ্রীবতা’ তাকে বাধ্য করেছে এই বইটা টাইমলাইনের আগেই আনতে। ওপেনসোর্সের মূলমন্ত্রে বিশ্বাসী আমাদের লেখক তার তিনটা বই ছেড়ে দিয়েছেন ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায়। ‘রিড ফার্স্ট, বাই লেটার’ কনসেপ্টে বইটা লেখার সময় দুটো জিনিসকে খেয়াল করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ১. কনসেপ্ট হেভি, কোড লাইট- কিছুটা কনসেপ্ট বুক, ২. হাতেকলমে প্রতিটা স্টেপ ধরে ওয়ার্কবুক, না শিখে যাওয়ার স্কোপ কম।
সি প্রোগ্রামিং
সি প্রোগ্রামিং খুবি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সি প্রোগ্রামিং কে বলা হয় সকল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের জননী। অপারেটিং সিস্টেমের মূল কার্নেল লেখা হয় সি প্রোগ্রামিং দিয়ে। আমরা যত গুলো ডিভাইস ব্যবহার করি, প্রায় সব ডিভাইসের মূল সফটওয়ার লেখা হয় সি প্রোগ্রামিং দিয়ে। সি প্রোগ্রামিং শেখার পর অনেক জায়গায়ই প্রয়োগ করা যাবে। সফটওয়ারের পাশাপাশি কেউ যদি হার্ডওয়ার সিস্টেম নিয়ে কাজ করতে চায়, তার জন্য উপযুক্ত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এছাড়া স্মার্টফোনের মত এখন জনপ্রিয় হচ্ছে IoT বা Internet of Things। এই IoTডিভাইস গুলো কন্ট্রোল করার জন্য সাধারণত সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
প্রোগ্রামিংয়ের বলদ টু বস
বিশ্বজুড়ে এখন প্রোগ্রামিং নিয়ে মাতামাতি। মনে হচ্ছে প্রোগ্রামিং ছাড়া মানব সভ্যতা আর এগোতে পারবে না। তবে, সেই প্রোগ্রামিং জানা সবাই যে প্রোগ্রামিং স্কুল থেকেই আসবে এমন কোনো লক্ষণও কিন্তু দেখা যাচ্ছে না। কারণ সংখ্যাটা প্রোগ্রামারের চাহিদার সংখ্যার চাইতে অনেক বড়। কাজেই আমেরিকার হোয়াইট হাউস হোক আর আমাদের ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের জলিলগঞ্জ গ্রাম হোক— সব জায়গাতেই প্রোগ্রামিং নিয়ে অনেক আগ্রহ-উদ্দীপনা। এই আগ্রহের জোয়ারে কী হাবলুরা বসে থাকবে? সারাজীবন ফাঁকিবাজি করে, শর্টকাট পথ ধরে বের হয়ে যাওয়া হাবলুরা কী এখানে কোনো পথ পাবে না?
হাবুল দ্য গ্রেট ঝংকার মাহবুব থাকতে সেটা কি আর হবে? কাজে প্রোগ্রামিং-এর চিপাচাপা দিয়ে বলদরা কীভাবে বস হয়ে উঠতে পারে তার জন্য ঝংকারের এই বই। এর আগের হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং বইয়ে মাহবুব চেষ্টা করেছে মজা করে প্রোগ্রামিংয়ের মূল বিষয়গুলো ধরিয়ে দেওয়ার। এবার আরেক ধাপ এগিয়ে হাবলুদের জন্য ডাটা স্ট্রাকচার, অ্যালগরিদম, অবজেক্ট, ক্লাস, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ইত্যাদির চিপাচাপার সন্ধান করেছে। এর আগে কেইবা বলেছে হাজিরা খাতাটাই একটা ডাটা স্ট্রাকচার আর কেইবা খড়ের গাঁদাতে সূঁচ খোঁজার চেষ্টা করেছে প্রোগ্রামিং জগতে! ঝংকারের ঢংয়ে প্রোগ্রামিংয়ের জগতে বলদ থেকে বস হয়ে ওঠার এই এক আশ্চর্য হাবলামি।
প্রোগ্রামার হতে চাওয়া ফাঁকিবাজদের পড়তেই হবে
মুনির হাসান
কো-অর্ডিনেটর, ইয়ুথ প্রোগ্রাম, প্রথম আলো
সাবেক জেনারেল সেক্রেটারি, ম্যাথ অলিম্পিয়াড
হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং
অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে উন্নয়ন অনুকূল বেশ কিছু সংস্কৃতি সংযোজিত হয়েছে যার মধ্যে নানা বিষয়ের উপর অলিম্পিয়াড, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। আবার গত ১২-১৩ বছর ধরে প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্যও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। অবাক করা বিষয় হলো আমাদের স্কুল কলেজের ছাত্ররা প্রোগ্রামিংকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে এবং ইতিমধ্যে বেশ সফলতাও অর্জন করেছে। যেমন সকল অলিম্পিয়াডের মধ্যে প্রথম সিলভার মেডেল পেয়েছে সিটি কলেজের মো. আবীরুল ইসলাম ২০০৯ সালে। তাও আবার উপমহাদেশের সকল প্রতিযোগীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়ে। ২০১২ সালে ইতালিতে অনুষ্ঠিত আইওয়াই’তে তো বাংলাদেশের বৃষ্টি সিকদার সারা পৃথিবীর সবগুলো মেয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হলো। এই বিষয়গুলোতে আমাদের তরুণদের যে প্রশংসনীয় আগ্রহ ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার ক্ষমতা তাঁর যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে এই বইয়ের লেখকের মাধ্যমে।
ঝংকার মাহবুবের বইয়ের পাণ্ডুলিপি পড়ে আমি খুবই অবাক এবং আশান্বিত হয়েছি যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নানা বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করেই বড় হচ্ছে। বইয়ের নামকরণ থেকে শুরু করে ব্যবহূত ভাষা এবং ঢং সবই ভিন্ন ও আকর্ষণীয়। বইয়ের নাম ‘হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং’ হলেও লেখক সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বাস করে যে আমাদের যে কোনো তরুণের জন্য প্রোগ্রামিং শেখা তেমন কোনো কঠিন কাজ নয়। প্রতিটা অধ্যায়ই লেখকের স্বতন্ত্র ভাষায়, ঢংয়ে খুবই হালকা মেজাজে উপভোগ্য কৌতুকের সঙ্গে উপস্থাপিত হয়েছে যাতে করে কোন ‘হাবলু’ই টের না পায় যে সে খুবই জটিল কিছু শিখতে যাচ্ছে। অনুশীলন করার জন্য বইতেই পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা দেয়া আছে।
আমি আশা করি আমাদের ছেলেমেয়েরা এই বইটি পড়ে যেমন প্রোগ্রামিংয়ের ভয় জয় করবে ঠিক একইভাবে প্রোগ্রামিংয়ের বেশ কিছু ধারণাও আত্মস্থ করতে পারবে। আমি ঝংকার মাহবুবকে বইটি লেখার জন্য অভিনন্দন জানাই আর তাঁর বইয়ের পাঠকদের প্রতি রইল মেধার অনুশীলনীর মাধ্যমে শ্রেয়তর মস্তিষ্কের অধিকারী হয়ে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার আমন্ত্রণ।
ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ
অধ্যাপক, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ,
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
সহজ ভাষায় স্পোকেন ইংলিশ
বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিগ্রি নেওয়ার পরও ২ মিনিট ইংরেজিতে গুছিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করতে এদেশের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের দ্বিধাবোধ হয়। এ কারণেই অনেক যোগ্যতা এবং দক্ষতা থাকার পরও তারা গ্লোবাল জব মার্কেটে জায়গা করে নিতে পারেন না। দেশের শিক্ষার্থীদের তাই এমন একটি বই প্রয়োজন, যেটি তাদেরকে Global Standard-এর লেভেলে নিয়ে যেতে পারবে।
একশো ভাগ সেলফ-স্টাডি ভিত্তিক এ বইটিতে নিজেকে ইংরেজিতে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেলে উন্নীত করার সমস্ত কার্যকরী কৌশল ও চর্চার প্রণালীসমূহ দেওয়া আছে। খুব সহজ ভাষায় লেখা এ বইটির মাধ্যমে কোনো শিক্ষক বা পার্টনারের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে ঘরে বসেই সব লেভেলের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা ইংরেজিতে দক্ষ হতে পারবে।
প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে একাই ইংরেজিতে কথা বলায় দক্ষ হওয়া যায়, সহজ ভাষায় স্পোকেন ইংলিশ বইটিতে সে বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও চাকরিপ্রার্থী, চাকরিজীবী, গৃহিণী— সবাই পড়ে উপকৃত হবেন।
করপোরেট কমিউনিকেশন
ইংরেজি হলো আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং ব্যবসায়ের আন্তর্জাতিক ভাষা। সাধারণ ইংরেজি ও ব্যবসায়িক ইংরেজির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যদি আপনি কিংবা আপনার কর্মীবাহিনী ব্যবসায়িক ইংরেজিতে দক্ষ হন, তাহলে ব্যবসায়ে সফল হওয়ার অন্যতম একটি নিয়ামক আপনার হাতে রয়েছে। সাধারণত বোর্ড মিটিং কিংবা প্রেজেন্টেশনের ভাষা হয় ইংরেজি, যেখানে শ্রোতা/অংশগ্রহণকারী বা প্রেজেন্টার— কারোরই মাতৃভাষা ইংরেজি নয়। প্রাইভেট মিটিং বা পাবলিক ফোরাম, যেখানেই হোক, আপনার মূল বক্তব্য বোঝানোর জন্য ইংরেজিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা। আপনি যদি ইংরেজিতে কথা বলায় দক্ষ হন, তাহলে এটি আপনার কাজের প্রয়োজনে ভ্রমণে সাহায্য করবে। আপনি যদি ইংরেজি পড়তে ও লিখতে পারেন, তবে আপনি ব্যবসায়িক ভ্রমণ পরিকল্পনার পাশাপাশি উন্নত আয়োজনও করতে পারবেন। আপনার ইংরেজি যদি প্রফেশনাল মানের হয়, তাহলে বিজনেস প্রেজেন্টেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে কিংবা বিজনেস ডিল করার ক্ষেত্রে আপনি এক ধাপ এগিয়ে আছেন। যোগাযোগের জন্য বেশি ব্যবহার করা হয় ইমেইল। আর ইমেইলে আপনার বক্তব্যের মূল পয়েন্ট কীভাবে তুলে ধরতে হবে, সেটা জানা খুবই জরুরি। সঠিক ধারায়, কোনো ভুল না করে, ভালোভাবে ইমেইল লিখতে পারা একটি বিশেষ দক্ষতা। ওপরে বর্ণিত বিষয়গুলো এবং পাবলিক ও বহুজাতিক কোম্পানিতে করপোরেট ট্রেনিং করানোর সুদীর্ঘ ১৬ বছরের অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে লেখক এই বইয়ে বিজনেস কমিউনিকেশনের টিপস ও টেকনিকসমূহের এক চমৎকার সমন্বয় করেছেন।
কনফিউজিং ইংলিশ
কথায় কথায় english
শুরু থেকে নতুন করে শুরু করার ভিন্ন একটি মজা আছে। আপনি সমাজের যে অবস্থান বা পেশায় থাকুন না কেন, জেনে নিন এই বইটি হাতে নিয়েই আপনার মনে হবে এটি আপনার জন্যই লেখা। যদি দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি শিখে অথবা একেবারেই কিছু না শিখে পদে পদে আপনাকে অপদস্থ হতে হচ্ছে, কিংবা হীনমন্যতায় ভুগছেন, এ বইটি আপনাকে সাহায্য করবে একদম শুরু থেকে শুদ্ধভাবে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে English Listening ও Speaking সঠিক উচ্চারণ, উপযুক্ত শব্দ ও অর্থসহ বুঝে চর্চা করতে এবং সঠিকভাবে ইংরেজদের মতো করে ইংরেজি বলা অভ্যাসে পরিণত করতে। কোন ক্ষেত্রে, কোন পরিস্থিতিতে, কতটুকু, কীভাবে ও কী বলতে হবে তার কৌশল যদি আপনি আয়ত্ত করতে পারেন, তাহলেই আপনি হতে পারবেন একজন speech artist। আর তখনই যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনার উপস্থিতি চারপাশের সবাইকে অনুপ্রাণিত করবে। কাজেই আজ থেকেই শুরু করে দিন কথায় কথায় English; বুক ফুলিয়ে ইংরেজদের মতো করে ইংরেজি বলার সহজ কৌশল।
১ মিনিটে ইংরেজি
কী আছে এই বইতে?
• শিক্ষিতরাও অপপ্রয়োগ করেন (Misupply) এমন English Word-এর শুদ্ধরূপ
• প্রতিটি শব্দের Correct Pronunciation এবং Example Sentence
• বানান-নির্ভর ভুল উচ্চারিত (Spelling Pronunciation) শব্দমূহের শুদ্ধ উচ্চারণ
• Vocabulary শেখার Tips সংবলিত দুটো গুরুত্বপূর্ণ Articles
এই বই থেকে যেভাবে উপকৃত হবেন
• Common Mistakes এড়িয়ে ইংরেজি শব্দের Correct Application শেখা এই বই থেকে
• ইংরেজি শব্দের Correct Pronunciation শেখা যাবে। ফলে আপনার Listening Skil-এর উন্নতি হবে এবং Spoken English-ও বিদেশিদের কাছে অধিকতর বাধগম্য হয়ে উঠবে।
VocaBuilder 3.0
VocaBuilder 3.0 is a popular vocabulary book in Bangladesh, particularly designed for those preparing for competitive exams like GRE, GMAT, SAT, TOEFL, and IELTS.1 It is authored by Farhad Hossain Masum.2
Key features of VocaBuilder 3.0:
- Comprehensive Vocabulary Coverage: The book covers a wide range of high-frequency words essential for academic and professional purposes.
- Systematic Approach: The words are organized into thematic units, making learning more structured and efficient.
- Detailed Word Explanations: Each word is accompanied by clear definitions and usage examples, helping learners understand the nuances of meaning.
- Practice Exercises: The book includes various exercises, such as word analogies, sentence completion, and vocabulary quizzes, to reinforce learning.
- Mnemonic Techniques: The author employs effective mnemonic techniques to aid memorization and recall of difficult words.
- Regular Updates: The book is periodically updated to incorporate new words and trends in vocabulary usage.
How to use VocaBuilder 3.0 effectively:
- Consistent Practice: Dedicate regular time to study the words and practice the exercises.
- Active Learning: Engage actively with the material by creating flashcards, using vocabulary apps, or discussing the words with others.
- Contextual Learning: Try to use the learned words in your daily conversations and writing to reinforce their meaning and usage.3
- Review Regularly: Schedule regular review sessions to solidify your understanding and retention of the vocabulary.
- Join Study Groups: Collaborating with other learners can create a supportive environment and enhance learning.4
By following these tips and utilizing VocaBuilder 3.0 effectively, you can significantly improve your vocabulary and enhance your language skills.
ছোটদের স্পোকেন ইংলিশ ২
ছোটদের স্পোকেন ইংলিশ
ছোটদের স্পোকেন ইংলিশ: একটি মজাদার যাত্রা!
ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি শেখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর স্পোকেন ইংলিশ তো আরো গুরুত্বপূর্ণ! কারণ, ইংরেজি শুধু পড়লেই হবে না, বলতেও পারতে হবে। ছোটদের জন্য স্পোকেন ইংলিশ শেখার অনেক উপায় আছে। আজকে আমরা কয়েকটি উপায় জানবো:
ছোটদের স্পোকেন ইংলিশ শেখার কয়েকটি উপায়:
- মজাদার গান: ছোটরা গান গাইতে খুব ভালোবাসে। তাই ইংরেজি গান শুনিয়ে এবং গাইয়ে তারা ইংরেজি শব্দ ও বাক্য খুব সহজে মুখস্থ করতে পারে।
- কাহিনী: মজার মজার ইংরেজি কাহিনী শেখানো যেতে পারে। কাহিনীর মাধ্যমে তারা নতুন নতুন শব্দ শিখবে এবং ইংরেজিতে ভাবতে শিখবে।
- খেলাধুলা: ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে খেলাধুলা করা ছোটদের জন্য খুবই মজাদার। এইভাবে তারা ইংরেজি শিখতে শিখতে মজাও পাবে।
- ইংরেজি কার্টুন: ইংরেজি কার্টুন দেখে ছোটরা ইংরেজি শব্দ ও বাক্য খুব সহজে শিখতে পারে।
- ইংরেজি ক্লাস: ইংরেজি ক্লাসে ছোটরা অন্য বাচ্চাদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে পারবে এবং ইংরেজি শেখার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু শিখতে পারবে।
বাড়িতে কিভাবে স্পোকেন ইংলিশ শেখাবেন?
- ইংরেজি বই পড়ুন: ছোটদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ইংরেজি বই পাওয়া যায়। এই বইগুলো পড়ে আপনার সন্তান ইংরেজি শব্দ ও বাক্য শিখতে পারবে।
- ইংরেজি গান শুনান: ইংরেজি গান শুনিয়ে আপনার সন্তানকে ইংরেজি শেখান। গানের কথা মিলে মিলে বলতে বলুন।
- ইংরেজি কার্টুন দেখান: ইংরেজি কার্টুন দেখে আপনার সন্তান ইংরেজি শব্দ ও বাক্য শিখতে পারবে।
- ইংরেজিতে কথা বলুন: আপনি নিজে যত বেশি ইংরেজিতে কথা বলবেন আপনার সন্তান তত বেশি ইংরেজি শিখবে।
- ইংরেজি ক্লাসে ভর্তি করুন: আপনার সন্তানকে কোনো ভালো ইংরেজি ক্লাস শেখানোর ক্ষেত্রে ধৈর্য্য রাখা খুবই জরুরী। তাকে চাপ দেবেন না। ধীরে ধীরে সে ইংরেজি শিখতে শিখবে।
আপনার সন্তানকে ইংরেজি শেখানোর জন্য আরো কোনো টিপস আছে কি? আমাদের সাথে শেয়ার করুন।
Would you like to know more about specific techniques for teaching spoken English to young children?
